বেঁচে গেল মিরপুরের সেই বিদুৎস্পৃষ্ট শিশু

0
1197

গতকাল রাতের এক বৃষ্টিতে ঢাকাবাসী ভয়াবহ এক ঘটনার সাক্ষী হলো। মিরপুরের ঢাকা কমার্স কলেজ সংলগ্ন ঝিলপাড় বস্তির সামনের রাস্তায় জমে থাকা পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেছে একই পরিবারের তিনজনসহ চারজনের। অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছে পরিবারের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য ৭ মাসের শিশু হোসাইন।

গতকাল রাতে ওই রাস্তায় জমে থাকা পানির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন মিজান (৩০) ও তার স্ত্রী মুক্তা বেগম (২৫)। সঙ্গে ছিল মেয়ে লিমা (৭) ও ছেলে হোসাইন। হঠাৎ করে তারা পড়ে গেলে তাদের তুলতে এগিয়ে আসেন অনিক নামে একজন অটোরিকশাচালক। হোসাইনকে তিনি পানি থেকে তুলে দিতে পারলেও লিমাকে তুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনিও চলে গেছেন না ফেরার দেশে।

যেভাবে বেঁচে গেল সাত মাসের হোসাইন:-

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, এক ব্যক্তি পানির মধ্যে ডুবে থাকা একটি শিশুর পা ধরে টেনে তোলেন। দেখে শিশুটির বয়স ৬-৭ মাসের মত বলে ধারণা করা হয়। তাকে টেনে তোলার পর আশপাশের মহিলারা তাকে বাসায় নিয়ে রসুনের তেল মাখায়। পরে যখন তার নাক দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল তখন তাকে দ্রুত ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

শিশুটিকে উদ্ধার করা এক নারী জানান জানান, চিকিৎকরা শিশুটিকে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি দেন। সেখান প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সকালে তাকে ছেড়ে দেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা। পরে আমরা তাকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে তার অন্যান্য আত্মীয়স্বজরা রয়েছেন। বর্তমানে তাদের কাছে রয়েছে শিশুটি।

সত্যতা নিশ্চিত করেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মোঃ বাচ্চু মিয়া। শিশুটির বাসা মিরপুরে কমার্স কলেজের কাছে ঝিলপাড় বস্তির বিপরীত পাশে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, গতকাল রাতে বৃষ্টি চলাকালীন মিরপুর এগারোর শাহআলী থানাধীন কর্মাস কলেজের বিপরীত পাশের রাস্তায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চারজনের মৃত্যু হয়।

এফএস

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here